ডোমেইন নেম কি এবং কেন ব্যবহার করা হয়?

ডোমেইন নেম কি এটা অনেকেই হয়তো জানেন, আবার অনেকেই জানেন না। এটি হচ্ছে সেই ঠিকানা যেখানে আপনি ওয়েবসাইট খুজে পাবেন। প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের আলাদা আলাদা ঠিকানা রয়েছে। ওয়েবসাইট হচ্ছে কতগুলো ফাইল যা ওয়েব ব্রাউজারে প্রদর্শন করা হয়। কোন একটি কম্পিউটারে এই ফাইলগুলো রাখা হয়। সেখান থেকে দেখতে হলে 192.168.555.1 এরকম ধরণের একটি বিদঘুটে ঠিকানায় দেখা যাবে।

ডোমেইন নেম সিস্টেম

আপনারা যারা মডেম বা, রাউটার বা, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তারা অনেকেই এই ধরণের ঠিকানায় ওয়েবসাইট ব্রাউজ করেছেন। বিশ্বব্যাপী ঠিকানার একটি ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সহজে যে কেউ ওয়েবসাইট এড্রেস ব্রাউজারে টাইপ করে দেখতে পারে। এই ওয়েবসাইটের ঠিকানা যেমনঃ bloggingnseo.xyz এরকম একটি ঠিকানা সব ওয়েবসাইটের আছে। এটাকেই বলা হয় ডোমেইন নেম। কতগুলো নাম আপনারা প্রায়ই শুনে থাকেন। আমি সেগুলো সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা দেবো।

টপ লেভেল ডোমেইন(TLD): ডোমেইন সিস্টেমের সর্বোচ্চ স্তরের ডোমেইন গুলোকে টপ লেভেল ডোমেইন বলা হয়। এগুলোর অংশ হিসেবে আরো অনেক ডোমেইন তৈরি করা যায়।

জেনেরিক টপ লেভেল ডোমেইন(GTLD): সেইসব ডোমেইন যা কোন প্রতিষ্ঠান বা, ব্যাক্তি চাইলেই নিতে পারবে। এগুলোই সবচেয়ে জনপ্রিয়। যেমনঃ .com, .org, .info

কান্ট্রি কোড টপ লেভেল ডোমেইন(CCTLD): এটি সাধারণত একটি দেশের জন্য নির্দিষ্ট করা থাকে। এগুলো চাইলেই যে কেউ ব্যবহার করতে পারে না। যেমনঃ .bd, .in, .pk, .de, .uk ইত্যাদি।

সাব লেভেল ডোমেইন(Sub-Domain): মূল ডোমেইনের অংশকে বলা হয় সাব লেভেল ডোমেইন বা, সাব ডোমেইন। অনেক জায়গায় এই ধরণের ডোমেইনগুলো ফ্রিতে পাওয়া যায়।

ফ্রি ডোমেইন(Free Domain): ফ্রি ডোমেইন নামে আলাদা কোন ক্যাটাগরি হয় না। অনেক ধরণের ডোমেইন ফ্রিতে পাওয়া যায়। কিছু টপ লেভেল ডোমেইন হচ্ছে- .tk. .co.vu, .co.nr. , .ml, .ga ইত্যাদি। সাব ডোমেইন হচ্ছে- .blogspot.com, .wordpress.com, .webs.com ইত্যাদি।

দেখে নিন- বাংলাদেশের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর নাম

ডোমেইন নেম কেন ব্যাবহার করা হয়?

ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয় ওয়েবসাইটকে সহজে খুজে পেতে। আগেও বলেছি 164.168.5.1 এরকম টাইপের কোন ঠিকানার ওয়েবসাইট হলে নিশ্চয়ই এত সহজে সেটা মনে রাখতে পারতেন না। এই কারণেই এই নামগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। ওয়েবসাইট আসলে কম্পিউটারের ফাইল ছাড়া আর কিছুই না। সেই ফাইলের মাধ্যমে অনেক সুন্দরভাবে সবার কাছে বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ঐ ফাইল ভিজিট করার জন্য সবাইকে অনুমতি দেয়া থাকে, আর যেখানে ঐ ফাইল সম্বলিত ফোল্ডার থাকে সেটাকে বলে হোস্টিং, যে ঠিকানায় পাওয়া যায় সেটাকে বলে ডোমেইন।

নিজের কম্পিউটারে হোস্ট করলে তো সারাক্ষণ কম্পিউটার অন করে ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে রাখতে পারবেন না, তাই অন্যের কম্পিউটারের জায়গা ভাড়া নেয়া দরকার।  দেখে নিন – বাংলাদেশের সেরা হোস্টিং কোম্পানি। ডোমেইনগুলো কিছু নিয়ন্ত্রিত হয়।

মনে প্রশ্ন আসছে,  এগুলো নিয়ন্ত্রন করে কে? উত্তরটা হচ্ছে ICANN=Internet Corporation for Assigned Names and Numbers. এরাই এগুলো নিয়ন্ত্রনের দায়িত্বে আছে। তবে, আপনারা দেশী বিদেশী অনেক প্রতিষ্ঠান পাবেন যারা ডোমেইন নেম বিক্রি করে, কিছু ডোমেইন দেশের সরকারের দখলেও থাকে। ওদের বিক্রির সব তথ্য জমা থাকে ICANN এর কাছে। আর সেখান থেকেই সব নিয়ন্ত্রিত হয়। .gov কখনো বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে পাবেন না, .edu শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোথাও পাবেন না।

(Visited 1 times, 1 visits today)

admin

Hello! Welcome to my blog. Here I will write articles on Blogging and search engine optimization. I have 3 years of experience in this field. And I have completed a course on Alison about SEO. Hope that you are enjoying my blog.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *