টরেন্ট সাইট কিভাবে কাজ করে?

টরেন্ট সাইট নিয়ে বলার আগে প্রথমেই বলে নেই টরেন্ট কি এরপর বলব টরেন্ট কিভাবে কাজ করে। আমরা যখন কোন কিছু ডাউনলোড করি তখন কম্পিউটার বা, মোবাইল বা, অন্য কোন ডিভাইস ব্যবহার করে ডাউনলোড করি এবং আমাদের ডিভাইসের মেমরিতে ফাইল এসে জমা হয়। কোন ওয়েবসাইট থেকে কিছু ডাউনলোড করলে সাধারণত সেই ওয়েবসাইটের সেন্ট্রাল সার্ভার থেকে সেই ফাইল ডাউনলোড হয়। যেমনঃ Mediafire, Dropbox, Googledrive এগুলো থেকে আমরা অনেক কিছুই ডাউনলোড করি। আর, torrent এর ক্ষেত্রে অন্য অনেকের পিসি থেকে একসাথে ডাউনলোড এবং আপলোড হয়।

টরেন্ট কি?

সাধারণ অর্থে Torrent বলতে কোন তরলের দ্রুতগামী স্রোতকে বুঝায়। আমরা ইন্টারনেটে টরেন্ট বলতে ডাটা ট্রান্সফারের স্রোতকে বুঝাই। টরেন্টের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা ডিভাইসই হোস্ট সার্ভার হিসেবে কাজ করে। একটা জায়গা থেকে সব ডাউনলোড হয় না- আপনার কম্পিউটার থেকে হয়, আমার কম্পিউটার থেকে হয়। আমরা একইসাথে আপলোড এবং ডাউনলোড করি টরেন্ট ব্যবহার কি বৈধ হ্যাঁ, পুরোপুরি বৈধ। এটি কোন অপরাধ নয় যদি আপনি কোন কপিরাইটেড ফাইল টরেন্টের মাধ্যমে দেয়া নেয়া না করেন।

টরেন্ট থেকে মুভি ডাউনলোড

সদ্য রিলিজ পাওয়া মুভি ডাউনলোড (যা শুধু হলে চলার কথা), প্রিমিয়াম সফটওয়্যার ফ্রিতে নেয়া এগুলো অবৈধ। শুধু টরেন্ট না, পেনড্রাইভ দিয়ে বন্ধুর কাছ থেকে এইসব জিনিস নেয়াও অবৈধ- শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিভাবে টরেন্ট ব্যবহার করছি তার উপর নির্ভর করে আমরা অপরাধ করছি কি না। Utorrent, Bittorrent ইত্যাদি টরেন্ট ক্লায়েন্ট রয়েছে, এইসব সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি টরেন্টের মাধ্যমে ফাইল দেয়া-নেয়া করতে পারবেন। মনে রাখবেন, এগুলো সবই বৈধ যদি কপিরাইটেড কোন ম্যাটেরিয়াল আদান-প্রদান না ঘটে।

Seeders: যারা ফাইল আপলোড করছে তাদের বলা হয় Seeders

Leechers: যারা ডাউনলোড করছে তাদেরকে বলা হয় Leechers.

টরেন্টবিডি এবং অন্যান্য আরো অনেক টরেন্ট সাইট আছে যেখানে এই শব্দগুলো দেখা যায়। আমি আশা করবো আপনারা এখান থেকে কপিরাইটেড কোনকিছু আদান-প্রদান করবেন না।

টরেন্টের সুবিধাঃ

রিজিউম সাপোর্টঃ টরেন্ট ক্লায়েন্টের মাধ্যমে কোন কিছু ডাউনলোড করলে আপনি আজীবন সেই ফাইল আবার সেই একই জায়গা থেকে রিজিউম করতে পারবেন। অন্য সব ডাউনলোডারে এই কাজ করা যায় না, কারণ সেগুলোতে একটি নির্দিষ্ট সার্ভার থেকে ডাউনলোড হয় এবং সেই সার্ভার বারবার পজ করে আবার রিজিউম করার সুবিধা খুব বেশী দিন দেয় না।

ডাউনলোডের বিশাল ক্ষেত্রঃ প্রচুর টরেন্ট ফাইল আপনি অনলাইনে পাবেন ডাউনলোড করার জন্য। এক পিসিতে থাকলেই সেটি অন্য সবার সাথে শেয়ার করা যায়, তাই বুঝতেই পারছেন লাখ লাখ পিসিএ রিসোর্স কি পরিমাণ হতে পারে।

অটোম্যাটিক ডাউনলোডঃ আপনি নিজে থেকে বন্ধ না করলে পিসি অন থাকলেই টরেন্ট ক্লায়েন্ট ডাউনলোড করতে থাকবে এবং শেষ করে সিডও করবে। যারা কষ্ট করে রিজিউম করতে চান না, তাদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যাবে।

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট যারা ব্যবহার করেনঃ তারা বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। আপনি তারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত, তাই আপনার একই আইএসপিতে যতগুলো কম্পিউটার যুক্ত এবং আপনার আইএসপি আরো যতগুলোর সাথে যুক্ত সবার পিসি থেকে পেনড্রাইভে ফাইল নেয়ার মতো গতিতে আপনার পিসিতে ডাউনলোড হবে।

টরেন্ট ক্লায়েন্ট

আপনি utorrent, bittorrent, Deluge(লিনাক্স ব্যবহারকারীরা এর সাথে পরিচিত) ইত্যাদি নানা ধরণের ক্লায়েন্ট সফটওয়ার পাবেন। সবচে জনপ্রিয় যেটি utorrent আমি সেটির ডাউনলোড লিংক দিয়ে দেবো-

মোবাইলের জন্য

পিসির জন্য

অনেক সময় আমরা প্রলোভনের ফাদে পা দিয়ে ভাইরাস ডাউনলোড করি যা আমাদের উইন্ডোজ পিসির জন্য ক্ষতিকর, তাই দেখেশুনে ব্যবহার করবেন। আমি আপনাদের কোন টরেন্ট লিংক দেবো না, তবে টরেন্ট সিড কি সেটা নিয়ে তো আলোচনা করলামই। কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন, কমেন্ট বক্স সবার জন্য খোলা। আর, হ্যা পাইরেটেড সফটওয়্যার, মুভি বা, অন্য যেকোন কিছু ডাউনলোড করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। সেটা কখনোই করবেন না।

(Visited 1 times, 1 visits today)

admin

Hello! Welcome to my blog. Here I will write articles on Blogging and search engine optimization. I have 3 years of experience in this field. And I have completed a course on Alison about SEO. Hope that you are enjoying my blog.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *